
কিন্ত ভেতরে একটা দরজা তখন খুলতে থাকে। আপনি জানেন, কী খুলতে যাচ্ছেন। তবুও খোলেন। বারবার খোলেন। এবং শেষে — শরীর-মন জুড়ে ক্লান্তি। একা লাগা। অপরাধবোধে ডুবে যাওয়া।
হাজারো মানুষ দিনের আলোয় স্বাভাবিক, আর রাতে চুপচাপ নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এই অভ্যাসটা কোন “মজা” না—এটা আত্মাকে শেষ করে দেওয়া এক নীরব ঘাতক।
আপনি ভাবেন আপনি কন্ট্রোলে আছেন। আসলে, আপনি ধাপে ধাপে একটা dopamine- গ্যাম্বলে আটকে যাচ্ছেন। আপনার শরীর ভারী, আত্মবিশ্বাস ফেটে গেছে, বাস্তব সম্পর্কগুলো কৃত্রিম হয়ে পড়ছে। মন ক্রমশ কল্পনায় ভাসছে — আর আপনি নিজেকেই চিনতে পারছেন না। এবং ভয়ংকর সত্যটা হলো, আপনি জানেন এটা ভুল, তবুও ছাড়তে পারেন না।

আপনি কি আবারও ভাবছেন—“এইবারই শেষবার”? তবে মনে রাখুন, আপনি আগেও অনেকবার এমন ভেবেছিলেন। শেষবারের আশায় কাটিয়ে দিয়েছেন মাসের পর মাস, এমনকি বছরও। তবু কিছুই বদলায়নি। আপনার ভেতরটা এখনও জানে—সময় এসে গেছে।
“শেষবার” বললে আর কিছু হবে না—আপনাকে আজকেই শুরু করতে হবে। আপনার ভেতরের শক্তিটা ঘুমিয়ে আছে, হারিয়ে যায়নি। আপনি পারবেন—তবে শর্ত একটাই: সিদ্ধান্ত নিতে হবে আজ। আর দেরি নয়।